ফেসবুকে আপনি কি করছেন ভেবে দেখুনঃ

ফেসবুকে আপনি কি করছেন ভেবে দেখুনঃ-

ভবিষ্যতে ফেসবুকেই হবে পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহত্তম ভার্চুয়াল কবরস্থান।

আগামী ১০০ বছর পর অধিকাংশ ফেসবুক আইডির এর মালিকগুলো থাকবে মৃত। শুধু থাকবে তাদের কর্ম।

 যারা মানুষকে লাভ স্টোরি শিখিয়েছেন, তার শাস্তি তারা জাহান্নামে পাবেন।
 

☞ যারা অশ্লীল ও বেহায়াপনা মেয়েদের ছবি ও ভিডিও আপ্লোড করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিবে তাদের লাইকার ও কমেন্টকারীরা।
 

☞ যারা অনইসলামীক গান বাজনার প্রচার ও প্রসার করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিবে ঐ পোষ্টের লাইকার ও কমেন্টকারীরা।
 

☞ যারা ইসলাম ধর্মের নামে মিথ্যা, ভুল, বানোয়াট বিষয়কে ইসলাম ধর্ম হিসাবে প্রচার করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিবে ঐ পোষ্টের লাইকার ও কমেন্টকারীরা।
 

☞❀ আর যারা ফেসবুককে আল্লাহর বাণী ও ইসলাম প্রচারের মাধ্যম বানিয়েছে তাদের পুরষ্কার আল্লাহ দিবেন।
 

তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল থাকা উচিত, যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে এবং ভাল কাজের আদেশ করবে ও মন্দ কাজের নিষেধ করবে। আর তারাই হবে সফলকাম। (আল- ইমরান :: ১০৪)
 

‘‘যে অনু পরিমাণ ভাল করবে সে তার প্রতিদান পাবে আর যে অনু পরিমাণ খারাপ কাজ করবে সেও তার প্রতিদান পাবে।
[’’সূরা যিলযাল:৭-৮]
 

‘‘তোমরা পূণ্য ও তাকওয়ার কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং গুনাহ ও সীমালঙ্ঘণের কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করো না।”
[সূরা আল মায়িদাহ:২]
 

‘‘তোমরা সর্বোত্তম জাতি, তোমদের সৃষ্টি করা হয়েছে মানুষের কল্যাণের জন্য। তোমরা মানুষকে সৎ কাজের আদেশ দিবে এবং অসৎ কাজ হতে নিষেধ করবে। আর আল্লাহর উপর ঈমান আনয়ন করবে।” [সূরা আলে ইমরান: ১১০]
 

ফেসবুকে কোনো অশ্লীল ছবি ও ভিডিও আপলোড দেওয়া থাকলে মৃত্যুর পরও তার পাপের বোঝা বাড়তে থাকবে। আর তার কবরে অনন্ত কাল ধরে পাপ পৌঁছতে থাকবে।
 

ফেসবুক ভার্চুয়াল দুনিয়া হলেও এর হিসাব ও দিতে হবে কারণ এতে আপনি বাস্তব জীবনের সময়কেই নষ্ট করছেন। আর কেউ আল্লাহ ও তার রাসুল ﷺ এর বাণী প্রচার করলে, তার জন্য সদকায়ে জারিয়া পেতেই থাকবেন, কেয়ামত পর্যন্ত।
 

কথাগুলো মনের অনুভূতি থেকে বেরিয়ে এলো। কিন্তু সহীহ হাদীস দিয়ে প্রমাণ করতে পারবোনা। তাই মেহেরবানী করে আমার পোস্টের কারণে সহীহ হাদীস থেকে দলিল চাইবেন না।
 

এবার আপনি চিন্তা করুন, আপনি কি করবেন? সিদ্ধান্ত আপনার বিবেকের উপর! কেয়ামত কিন্তু খুবই সন্নিকটে...!
সংগৃহীত)

No comments

Powered by Blogger.