ব্যবস্থাপনা কি ? কিভাবে হয়?


ব্যবস্থাপনা কি ? কিভাবে হয়?
ব্যবস্থাপনা
ব্যবস্থাপনাকে সামাজিক প্রক্রিয়া হিসেবে উলেস্নখ করেছেন- টেরি ও ফ্রাঙ্কলিন

ব্যবস্থাপনার তত্ত্ব ও বিজ্ঞানের উদ্ভব হয়- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে (১৯০০ সালের অব্যবহিত পূর্বে)

Management শব্দটি এসেছে- ল্যাটিন বা ইতালিয় Maneggiare থেকে

Management শব্দকে ভাগ করা যায় ৩ ভাগে- Manage+Men+T(Tactfully)

ব্যবস্থাপনা বিষয়টি সর্বপ্রথম উৎপত্তি লাভ করে- যুক্তরাজ্যে

প্রশাসন বিষয়টি সর্বপ্রথম উৎপত্তি লাভ করে- যুক্তরাষ্ট্রে (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)

ব্যবস্থাপনায় 6M এর প্রবক্তা- Terry & Franklin

ব্যবস্থাপনার 6M -এর M -গুলো হচ্ছে :
Men
Machine
Money
Materials
Market
Method

ব্যবস্থাপনার 4p- Productivity, People, Profit, Public responsibility

ব্যবস্থাপনার ক্রমবিকাশ

ব্যবস্থাপনার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাসকে ভাগ করা হয় ৫ ভাগে। যথা :

ব্যবস্থাপনা ও সাংগঠনিক কৃতিত্বের প্রমাণ মিলে- মিশরীয় সভ্যতায়

ব্যবস্থাপনা চিমত্মাধারার উন্নয়নে বিভিন্ন নিয়ম-নীতি প্রণয়ন ও বাসত্মবায়ন করা হয়- ব্যবিলনীয় সভ্যতায়

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ঘটে- গ্রিক সভ্যতায়

‘One Best Way’ ধারণাটি- গ্রিক সভ্যতায়

ব্যবস্থাপনা সার্বজনীন ঘোষণা করেন- সক্রেটিস

রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আলোকপাত করে- আল ফারাবি (৯০০ খ্রিস্টাব্দ)

মানব শক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের উপর গুরম্নত্বারোপ করেন- থমাস মুর

‘নাসিহাত আল মুলক’ গ্রন্থের রচয়িতা- ইমাম গাজ্জালি (রঃ)

মধ্যযুগের উৎপাদন ব্যয় হিসাবের উদ্ভাবক- ফ্রান্সিসকো

আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক- Henry Fayol

হেনরি ফেওল-র জন্ম- ১৮৪১ সালে, ফ্রান্সে

হেনরি ফেওল ছিলেন- খনি প্রকৌশলী

হেনরি ফেওলের বিখ্যাত গ্রন্থ- Administration Indutriele et General (১৯১৬)

হেনরি ফেওলের বইটি ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়- ১৯৩০ সালে

হেনরি ফেওলের বইটির ইংরেজি নাম- General and Industrial Management

হেনরি ফেওল শিল্পের কার্যাবলিকে ভাগ করেছেন- ৬ ভাগে

হেনরি ফেওল ব্যবস্থাপনার কার্যাবলিকে ভাগ করেছেন- ৫ ভাগে। যথা :

১. পরিকল্পনা
২. সংগঠন
৩. নির্দেশনা
৪. সমন্বয় সাধন
৫. নিয়ন্ত্রণ

হেনরি ফেওল ব্যবস্থাপনার ১৪টি নীতি প্রদান করেছেন। যথা :

১. কার্য বিভাগ
২. কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব
৩. নিয়মানুবর্তিতা
৪. আদেশের ঐক্য
৫. নির্দেশনার ঐক্য
৬. সাধারণ স্বার্থের প্রতি ব্যক্তির আনুগত্যশীলতা
৭. পারিশ্রমিক
৮. কেন্দ্রীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ
৯. জোড়া মই শিকল নীতি
১০. শৃঙ্খলা
১১. সাম্যতা
১২. চাকরিকালের স্থায়িত্ব
১৩. উদ্যোগ
১৪. একতাই বল

Esprit de Corps -এর অর্থ- একতাই বল (Unity is strength)

Esprit de Corps - ফরাসি শব্দ

সবার প্রতি একই আচরণ ও স্নেহ প্রদর্শন- সাম্য নীতির মাঝে পরে

প্রত্যেক কর্মচারী প্রত্যক্ষভাবে শুধু একজন ঊর্ধ্বতনের অধীনে থাকবে- আদেশের ঐক্য অনুযায়ী

কেন্দ্রীয়করণ- কর্মীর ভূমিকা হ্রাস করে

বিকেন্দ্রীকরণ- কর্মীর ভূমিকা বৃদ্ধি করে

উচ্চ পর্যায়ে সিদ্ধামত্ম থাকে- কেন্দ্রীভূত

নিমণ পর্যায়ে সিদ্ধামত্ম থাকে- বিকেন্দ্রীভূত

বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক- ফ্রেডারিক উইন্সলো টেইলর (F.W. Taylor)

টেইলরের প্রকাশিত প্রধান বই- Priciples of Scientific Management (1911)

টেইলর-র জন্ম- ১৯৮৫, যুক্তরাষ্ট্র

Taylor শিল্প প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলিকে ৮ভাগে ভাগ করেন

কার্যভিত্তিক সংগঠনকে Functional Foremanship নামকরণ করেন- F.W. Taylor

দৈহিক ও মানসিক যোগ্যতা অনুযায়ী কর্তব্য বণ্টনের পরামর্শ দেন- চার্লস ব্যাবেজ

সামরিক অভিজ্ঞতাকে ব্যবস্থাপনার কাজে লাগাবার পরামর্শ দেন- হ্যারিংটন এমারসন

টাস্ক ও বোনাস পরিকল্পনা, গান্ট চার্ট প্রবর্তন করেন- হেনরি লরেন্স গান্ট

সৌহার্দ্যপূর্ণ শ্রম-ব্যবস্থাপনা সম্পর্কের উপর গুরম্নত্ব আরোপ করেন- মেরী পার্কার ফোলেট

Dynamic Administration বইটি রচনা করেন- মেরী পার্কার ফোলেট

গতি সমীক্ষার জনক- ফ্রাঙ্ক বাঙ্কার গিলব্রেথ

Psychology of Management বইটি রচনা করেন- লিনিয়ান গিলব্রেথ

ব্যবস্থাপনার First lady বলা হয়- লিনিয়ান গিলব্রেথ’কে

অর্থনীতির জনক- অ্যাডাম স্মিথ

আধুনিক অর্থনীতির জনক- Paul Samuelson

প্রশাসনিক তত্ত্বের জনক- রবার্ট ওয়েন

আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার জনক- RbKÑ Max Weber (Germany)

ব্যবস্থাপনার জঙ্গল তত্ত্ব (Theory of Jungle) প্রদান করেন- Karrold Koontz

ক্ষমতার উৎস তত্ত্ব প্রদান করেন- জেমস স্টুয়ার্ট

Philosophy of Management বইটি রচনা করেন- অলিভার শেলডন

ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতাভিত্তিক মতবাদ প্রণয়ন করেন- আরনেস্ট ডেল


ব্যবস্থাপনা কার্যাবলী
ব্যবস্থাপনার কার্যাবলী- প্রধান বা মৌলিক কাজ ৪টি
১. পরিকল্পনা
২. সংগঠন
৩. নির্দেশনা
কর্মীসংস্থান
প্রেষণা
সমন্বয়
৪. নিয়ন্ত্রণ



বিশেষজ্ঞের নাম
ব্যবস্থাপনার কার্যাবলী
আইরিচ এন্ড কুঞ্জ
পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় সাধন
হেনরি ফেওল
পরিকল্পনা, সংগঠন, নির্দেশনা, সমন্বয় সাধন ও নিয়ন্ত্রণ
এল গুলিক
পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, সমন্বয় সাধন রিপোর্ট প্রদান ও বাজেট প্রণয়ন
(সংক্ষেপে POSDCORB)

POSDCORB
P = Planning
O = Organising
S = Staffing
D = Direction
CO = Co-Ordinating
R = Reporting
B = Budgeting

7’s = Strategy, Structure, System, Style, Staff, Sharted (?) value, Skills

ব্যবস্থাপনা স্তর

ব্যবস্থাপনার স্তর- ৩টি
উচ্চ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজন- ধারণাগত ও চিমত্ম্যনীয় কাজ ও দক্ষতা

নিমণ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজন- শারীরিক ও পদ্ধতিগত কৌশল

ব্যবস্থাপনার সকল পর্যায়ের জন্য সমানভাবে প্রয়োজন- মানবীয় দক্ষতা বা ঐঁসধহ ঝশরষষ

অন্যান্য তথ্য
প্রশাসন হচ্ছে- উচ্চ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা

ব্যবস্থাপনা হচ্ছে- মধ্যম ও নিমণ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা

প্রশাসনকে মানুষের মসিত্মষ্কের সাথে তুলনা করা হয়

ব্যবস্থাপনাকে চোখের সাথে তুলনা করা হয়

ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনের মধ্যে তুলনা করেছেন/ পার্থক্য করেননি- Henry Fayol, Newman, Koontz

‘Management is what a manager does’- লুইস এ এলেন

IPM = Institute of Personnel Management

BIBM = Bangladesh Institute of Bank Management

পরিকল্পনা কিভাবে করতে হয়? এটা কেন?


পরিকল্পনা

ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সম্পর্কে পূর্ব নির্ধারিত কাঠামো বা ছক তৈরি করাকে বলা হয় পরিকল্পনা

ব্যবস্থাপনার মৌলিক কাজ- পরিকল্পনা

পরিকল্পনা প্রণয়নের ভিত্তি হল- পূর্বের তথ্য

পরিকল্পনা প্রক্রিয়ার ১ম পদক্ষেপ- ভবিষ্যত সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে সতর্কতা

পরিকল্পনা প্রক্রিয়ার শেষ পদক্ষেপ- কার্যকারিতা মূল্যায়ন ও সংশোধন

পরিকল্পনা- একটি সৃজনশীল কাজ

পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন- ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ

পরিকল্পনা একটি- চিমত্ম্যনীয়/ মনসত্মাত্ত্বিক কাজ

পরিকল্পনাকে আয়নার (Looking glass) সাথে তুলনা করেছেন- Koontz & Donnell

পরিকল্পনাকে একটি বুদ্ধিসম্পন্ন প্রক্রিয়া (Intellectual Process) বলে অভিহিত করেছেন- Wrihrich & Koontz



পরিকল্পনার প্রকারভেদ

মেয়াদভিত্তিক পরিকল্পনা- ৩ প্রকার। যথা :

স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা (১ বছর বা তার কম সময়ের জন্য)

মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা (১ বছরের অধিক ও সর্বোচ্চ ৫ বছরের জন্য)

দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা (৫ বছরের অধিক সময়ের জন্য)

স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়- প্রকল্প বাসত্মবায়নে

মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়- প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য অর্জনে

দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়- ব্যবসায়ের ভবিষ্যত লক্ষ্য বাসত্মবায়নে

সংগঠনভিত্তিক পরিকল্পনা- ৪ প্রকার। যথা :

কার্যভিত্তিক পরিকল্পনা

বিভাগীয় পরিকল্পনা

আঞ্চলিক পরিকল্পনা

সামগ্রিক পরিকল্পনা

বহুজাতিক কোম্পানির জন্য উপযোগি- আঞ্চলিক পরিকল্পনা

প্রতিষ্ঠানের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা- সামগ্রিক পরিকল্পনা

কার্যভিত্তিক সংগঠনে সরাসরি নির্বাহী নিয়োগ দেয়া হয়।

বিশেষায়ণের নীতি অনুসরণ করা হয়- কার্যভিত্তিক বিভাগীয়করণে



প্রকৃতিগত পরিকল্পনা- ৩টি। যথা :

লক্ষ্য

স্থায়ী পরিকল্পনা

একার্থক পরিকল্পনা

পরিকল্পনার অভিপ্রেত ফলকে- লক্ষ্য বলে।

স্থায়ী পরিকল্পনা- ৫ প্রকার। যথা : নীতি, রীতি, প্রক্রিয়া, পদ্ধতি, কৌশল

পরিকল্পনার সংখ্যাত্বক প্রকাশকে বলা হয়- বাজেট

একার্থক পরিকল্পনা ৪ ধরনের হতে পারে- কর্মসূচি, বিশেষ কর্মসূচি, বিশদ পরিকল্পনা, প্রকল্প/ খণ্ড পরিকল্পনা

আমাদের দেশে আর্থিক পরিকল্পনা দেওয়া হয়- জুন মাসে

SWOT বিশেস্নষণ হল- কৌশলগত বিশেস্নষণ

S = Strength (শক্তি)
W = Weakness (দুর্বলতা)
O = Opportunity (সুযোগ)
T = Threat (ভীতি)

এটি ইমেল করুনএটি ব্লগ করুন!Twitter-এ ভাগ করুনFacebook-এ ভাগ করুনPinterest এ ভাগ করুন

কর্মী ব্যবস্থাপনা কিভাবে করতে হয়?


কর্মীসংস্থান

কর্মীসংস্থান হল একটি- অবিরাম প্রক্রিয়া

উৎপাদন প্রক্রিয়ার জীবন হচ্ছে- মানবশক্তি

উৎপাদনের সবচেয়ে জটিল উপাদান- শ্রমিক কর্মী

উৎপাদনের বা ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে গুরচত্বপূর্ণ উপাদান- শ্রমিক কর্মী (?)

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার মূল উদ্দেশ্য- মানব সম্পদের উন্নয়ন

কর্মীসংস্থানের বর্তমান নাম- HRM (Human Resource Management)


কর্মী সংগ্রহের উৎস

কর্মী সংগ্রহের উৎস- ২টি

আভ্যন্তরীণ উৎস : পদোন্নতি, বদলি, পদাবনতি

বাহ্যিক উৎস : জব এজেন্ট, বিজ্ঞাপন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র


পদোন্নতির ভিত্তি

পদোন্নতির ভিত্তি- ৩টি

যোগ্যতাভিত্তিক

জ্যেষ্ঠতাভিত্তিক

জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতাভিত্তিক

পদোন্নতি- ২ প্রকার

উললম্ব বা খাড়া পদোন্নতি : প্রতিষ্ঠানের কোনো বিভাগীয় কর্মীকে একই বিভাগের উচ্চতর পদে পদোন্নতি দিলে তাকে উললম্ব বা খাড়া পদোন্নতি বলে।

সমান্তরাল পদোন্নতি : প্রতিষ্ঠানের এক বিভাগের কর্মীকে অন্য কোনো বিভাগের একই পদে বা উচ্চতর পদে বদলি করা হলে তাকে সমান্তরাল পদোন্নতি বলে।



কর্মী নির্বাচন ও নিয়োগ

কর্মী সংস্থানের ১ম পদক্ষেপ- প্রয়োজন নির্ধারণ

কর্মী নির্বাচন পদ্ধতির ১ম পদক্ষেপ- বিভাগীয় রিকুইজিশন প্রাপ্তি

কর্মী নির্বাচন পদ্ধতির শেষ পদক্ষেপ- যোগদানের রিপোর্ট প্রদান

কর্মী সংগ্রত- ইতিবাচক কাজ

কর্মী নির্বাচন- নেতিবাচক কাজ

বাংলাদেশে সরকারি কর্মী নির্বাচন করে- সরকারি কর্ম কমিশন

বাংলাদেশে সরকারি কর্মী নিয়োগ দেয়- সংস্থাপন মন্ত্রণালয়

জাতীয় শ্রমিক সম্পর্ক আইন- ১৯৩৬ সালে

তত্ত্বাবধান পরিসরের অপর নামগুলো হল- ব্যবস্থাপনার পরিসর, তদারকের পরিসর, নিয়ন্ত্রণের পরিসর


প্রশিক্ষণ পদ্ধতি/ কৌশল

বিভিন্ন প্রকার প্রশিক্ষন পদ্ধতি/ কৌশল :

শিক্ষনবীশ প্রশিক্ষণ
পদ পরিবর্তন
পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি
বক্তৃতা পদ্ধতি
সেমিনার
অধিবেশন
ওয়ার্কশপ
পেশাগত ডিপেলামা কোর্স

সুপারভাইজার এবং মধ্যম পর্যায়ের ব্যবস্থাপকের জন্য যথেষ্ট উপযোগী- অধিবেশন পদ্ধতি

প্রতিষ্ঠানের নিচের স্তরের লোকদের নিয়ে প্রচলিত প্রশিক্ষণ- ওয়ার্কশপ

তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জনের সবচেয়ে প্রাচীন পদ্ধতি হল- বক্তৃতা

নির্বাহী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরচত্বপূর্ণ- সেমিনার

সংগঠন যেভাবে সাজাতে হয়


সংগঠন

সংগঠন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা- চিত্র বা নকশা

সংগঠন প্রক্রিয়ার ১ম পদক্ষেপ- কার্যাদি শনাক্তকরণ ও শ্রেণীবদ্ধকরণ

সংগঠন প্রক্রিয়ার শেষ পদক্ষেপ- পারস্পরিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা

America Management Association সংগঠনের বৈশিষ্ট্য বা মানদন্ড হিসেবে ৯টি নীতির উলেলখ করেন।


সংগঠনের প্রকারভেদ

আনুষ্ঠানিক সংগঠন- ৪ প্রকার। যথা :

১. সরলরৈখিক সংগঠন
২. সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠন
৩. কার্যভিত্তিক সংগঠন
৪. কমিটি সংগঠন

বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন ও সহজ প্রকৃতির সংগঠন- সরলরৈখিক সংগঠন

সরলরৈখিক সংগঠনের অপর নাম- সামরিক সংগঠন

সীমাবদ্ধ আয়তনবিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অধিক ব্যবহৃত হয়- সরলরৈখিক সংগঠন

তুলনামূলকভাবে বৃহদায়তন ও জটিল ব্যবসায় পরিবেশে ব্যবহৃত হয়- সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠন

সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠন পরিচালিত হয়- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায়

সরলরৈখিক সংগঠনের বিপরীত ব্যবস্থা- কার্যভিত্তিক সংগঠন

কার্যভিত্তিক সংগঠনের উদ্ভাবক- F.W. Taylor

কার্যভিত্তিক সংগঠন F.W. Taylor উদ্ভাবন করেন- ১৮৮০ সালে

কার্যভিত্তিক সংগঠনের অপর নাম- পদস্থকর্মী সংগঠন

F.W. Taylor কার্যভিত্তিক সংগঠনের নাম দিয়েছিলেন- Functional Foremanship

কমিটি- কোন বিশেষ ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি

বিশেষায়ণের নীতি অনুসরণ করা হয়- কার্যভিত্তিক সংগঠনে

সাংগঠনিক কাঠামোকে একটি পিরামিডের সাথে তুলনা করেছেন- Koontz & Donnell

সাংগঠনিক কাঠামো কার্যের ধরন, উদ্দেশ্য, ক্ষমতা ও পদবিন্যাস আকার ও আয়তনের উপর নির্ভর করে




দিক নির্দেশনা যেভাবে দিতে হয়

নির্দেশনা

নির্দেশনা হল- বাস্তবায়ন সম্পর্কিত কাজ

নির্দেশনা সর্বদা- নিমণগামী

‘প্রশাসনের হৃৎপিন্ড হচ্ছে নির্দেশনা’- মার্শাল ই ডিমক

পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণের মাঝে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে- নির্দেশনা

যে পদ্ধতিতে নির্দেশ একবারই প্রদান ও বুঝিয়ে দেওয়া হয় তাকে বলা হয়- নির্ধারিত বা আদর্শ পদ্ধতি

নির্দেশনার আধুনিক পদ্ধতিই হচ্ছে- পরামর্শমূলক নির্দেশনা

পরামর্শমূলক নির্দেশনা গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়

পরামর্শমূলক নির্দেশনাকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার ভিত্তি বলা হয়

কর্মীবৃন্দের সাথে আলাপ-আলোচনা ও পরামর্শের ভিত্তিতে যে নির্দেশনা দেয়া হয়- পরামর্শমূলক নির্দেশনা

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তার বিচার বিবেচনায় যেটি সঠিক তারই নির্দেশ দান করে থাকে- স্বৈরাচারী নির্দেশনায়

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নির্দেশের সাথে নির্দেশ সম্পর্কে ব্যাখ্যা বিশেলষণও প্রদান করে থাকে- ব্যাখ্যা সহযোগে নির্দেশনায়



নেতৃত্ব

নেতৃত্ব হল- একটি কৌশল

নেতৃত্ব বিকশিত হয়- যোগাযোগের মাধ্যমে

যোগাযোগকে বলা হয়- প্রশাসনের প্রাণ

নেতৃত্বকে ভাগ করা যায়- ৩ ভাগে। যথা :

১. প্রেষণাভিত্তিক নেতৃত্ব
২. ক্ষমতাভিত্তিক নেতৃত্ব
৩. মৌলভিত্তিক নেতৃত্ব

ক্ষমতাভিত্তিক নেতৃত্বকে ভাগ করা যায়- ৪ ভাগে। যথা :

১. স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব
২. গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব
৩. পিতৃসুলভ নেতৃত্ব
৪. লাগামহীন নেতৃত্ব

স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বকে বলা হয়- আমলাতান্ত্রিক প্রশাসন

স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের উন্নত ও ইতিবাচক সংস্করণ হল- পিতৃসুলভ নেতৃত্ব

মৌলভিত্তিক নেতৃত্বের প্রবক্তা হলেন- F. E. Fidler

নির্দেশনার ক্রমধারা সংরক্ষণ বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশনার ঐক্যর সাথে তুলনা করেছেন- হেনরি ফেয়ল

ডগলাস ম্যাকগ্রেগর স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বকে Theory X -এর মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন

ডগলাস ম্যাকগ্রেগর গণতান্ত্রিক নেতৃত্বকে Theory Y -এর মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন

কর্মীদের অনুপ্রেরণা ও প্রেষণা যেভাবে দিতে হয়



প্রেষণা


একনজরে প্রেষণার তত্ত্বসমূহ এবং প্রবক্তা :
X - তত্ত্ব ও Y - তত্ত্ব (ডগলাস ম্যাকগ্রেগর; ১৯৬০)
চাহিদা সোপান তত্ত্ব (আব্রাহাম মাসলো; ১৯৪৩)
ERG Theory

প্রেষণা

পেষণা হল- কর্মীবৃন্দের কার্যক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহারের লক্ষ্যে অনুপ্রাণিত, উৎসাহিত ও প্ররোচিত করার প্রক্রিয়া

পেষণা দানের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল- আর্থিক প্রেষণা

আর্থিক প্রেষণার মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হচ্ছে- ন্যায্য বেতন

প্রেষণা দানের প্রধান প্রতিবন্ধকতা- প্রয়োজনের ভিন্নতা ও কর্মীদের মানসিকতা

শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে এসেছে


একনজরে প্রেষণার তত্ত্বসমূহ এবং প্রবক্তা :



তত্ত্বসমূহ

প্রবক্তা


চাহিদা সোপান তত্ত্ব

আব্রাহাম মাসলো (১৯৪৩)


দ্বি উপাদান তত্ত

হার্জবার্গ (১৯৫৯)


X - তত্ত্ব ও Y - তত্ত্ব

ডগলাস ম্যাকগ্রেগর (১৯৬০)


Equity Theory

জেঃ স্টেসি এডামস


Expectancy Theory

Victor Vroom


Z Theory

Willium G Ouchi


Theory of Needs

Macclelland


ERG Theory¡

Claytol Alderfer



X - তত্ত্ব ও Y - তত্ত্ব (ডগলাস ম্যাকগ্রেগর; ১৯৬০)

ম্যাকগ্রেগরের X ও Y তত্ত্ব-এ মোট তত্ত্ব- ২টি

ম্যাকগ্রেগরের X তত্ত্ব স্বৈরতান্ত্রিক ও ণ তত্ত্ব গণতান্ত্রিক

ম্যাকগ্রেগরের X তত্ত্ব অনুযায়ী মানুষ কাজ করতে অপছন্দ করে এবং যথাসম্ভব কাজ এড়িয়ে চলে

ম্যাকগ্রেগরের Y তত্ত্ব অনুযায়ী মানুষ কাজকে স্বাভাবিকভাবে আগ্রহের সাথে গ্রহণ করে


চাহিদা সোপান তত্ত্ব (আব্রাহাম মাসলো; ১৯৪৩)

মাসলোর প্রেষণা তত্ত্বটি সর্বাপেক্ষা উলেলখযোগ্য ও জনপ্রিয় তত্ত্ব

মাসলোর বিখ্যাত গ্রন্থ- The Theory of Human Motivation

মাসলো মানুষের ৫ ধরনের প্রয়োজনকে ২ শ্রেণীতে ভাগ করেছেন

ক) প্রাথমিক বা নিমণ শ্রেণীর প্রয়োজন
১. দৈহিক/ মৌলিক চাহিদা
২. নিরাপত্তার চাহিদা
খ) উচ্চ শ্রেণীর প্রয়োজন
১. প্রতিপত্তি ও প্রীতির চাহিদা
২. আত্মমর্যাদার চাহিদা
৩. আত্মপ্রতিষ্ঠার চাহিদা

চাহিদা সোপান তত্ত্বের সর্বন্মিন চাহিদা- দৈহিত/ মৌলিক চাহিদা

চাহিদা সোপান তত্ত্বের সর্বোচ্চ চাহিদা- আত্মপ্রতিষ্ঠার চাহিদা


ERG Theory

E = Existence (অস্তিত্ব)

R = Relatedness (সম্পর্কযুক্ততা)

G = Growth (বৃদ্ধি)


No comments

Powered by Blogger.