সফলতার মন্ত্র
সফলতার মন্ত্র
শারমীনা ইসলাম
জীবনে চলার পথে আমরা সবাই সফল হতে চাই। প্রতিষ্ঠা চাই প্রতিটি ক্ষেত্রে। শুধু বসে বসে ভাববো আমরা সফল হব। তবে কি সফলতা আসবে? লক্ষ্য স্থির করে এগিয়ে যেতে হবে। তবেই না সেই সোনার হরিণ ধরা দেবে। আসুন জেনে নিই সফল হওয়ার সহজ কিছু টিপস:
প্রথমেই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করুন। আসলে আপনি কী চান। স্থির লক্ষ্যই সাফল্যের সিঁড়িতে পৌঁছাতে অনেক সাহায্য করবে
আপনার লক্ষ্যকে স্বপ্নে পরিণত করুন। আপনার স্বপ্ন যেখানে শেষ হবে, সেখান থেকে কাজ শুরু করুন
আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যান। বিশ্বাস করুন, আমিই পারবো। ব্যস! সফলতা আসবেই
সফল হতে চাই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা
বর্তমান অবস্থান ও লক্ষ্যের দূরত্বটা মাথায় রাখুন
আগেই ভেবে রাখুন, চলার পথে কিছু বাধা আসতে পারে
বাধাগুলোকে দূর করার উপায় বের করুন
সময়ের সঠিক ব্যবহার করুন
কোনো কাজ পরে করার জন্য ফেলে রাখবেন না
সময় থাকলে আগামী দিনের কাজ কিছুটা আজই গুছিয়ে রাখুন
সফলতার জন্য লক্ষ্যের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব থাকতে হবে। এই মনোভাব আপনাকে সাফল্যের দিকে নিয়ে যাবে
ধৈর্যশীল হতে হবে, কেননা হঠাৎ করে সফলতা আসে না।
যে কাজই করুন আন্তরিকতার সঙ্গে করতে হবে। কাউকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার চিন্তা না করে, পরিশ্রম, মেধা, নিষ্ঠা এবং কর্মতৎপরতা দিয়ে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলুন। প্রাথমিক সফলতা এলেই, সফলতার আনন্দে বসে থাকলে চলবে না। কারণ, সফলতার শেষ নেই...
সাফল্যের জন্য তিনটি বাক্য মনে রাখবেন
(১) অন্যের চাইতে বেশী জানুন
(২) অন্যের চাইতে বেশী কাজ করুন
(৩) অন্যের চাইতে কম আশা করুন
----উলিয়াম শেকসপিয়ার-----
ভালোবাসা আর বিশ্বাস দুটো এক সাথেই থাকে ,
যদি দেখো সেখানে বিশ্বাস নেই ,
তবে ধরে নিও সেখানে ভালবাসাও নেই :)
অভিমানী ♥
জেদ আর রাগ কোন কিছু পেতে সাহায্য করে না, বরং কোন কিছু হারাতে সাহায্য করে.........
কোন কিছু পেতে হলে শেষ পর্যন্ত চেষ্ঠা করে যাও, তুমি সেটা পাবেই
২৪ বছর বয়সী এক যুবক ট্রেনের জানালা দিয়ে দেখে উচ্ছ্বসিত কন্ঠে তার বাবাকে বললো- বাবা দেখো। গাছ গুলোও আমাদের সাথে যাচ্ছে।
পাশের সিটে বসে থাকা এক যুগল যাত্রী এত বড় ছেলের মুখে এই কথা শুনে অবাক হলো এবং তাকে পাগল ভাবলো।
কিছুক্ষন পর ছেলেটি দ্বিগু
ন জোড়ে চিৎকার করলো - বাবা দেখো, মেঘও আমাদের সাথে সথে আসছে !
দুই যাত্রী আবার ছেলেটির দিকে মায়া মায়া চোখে তাকালো এবং তার বাবাকে বললো- আপনি আপনার ছেলেকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান না কেন?
লোকটি বললো- আমরা ডাক্তারের কাছ থেকেই আসছি। আমার ছেলে খুব ছোট বেলায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। দুদিন আগে তার চোখে সফল অপারেশন হয়েছে এবং সে আবার দেখতে পারছে।
ঠিক এমনই ঘটনা আমাদের জীবনে সবসময়ই ঘটছে। আমরা খুব তাড়াতাড়ি অন্যের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি। এই পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষের একটা করে গল্প রয়েছে। কাউকে সম্পূর্ণ না জেনে তাকে বিচার করা উচিত নয়। সত্যটা আপনাকে বিষ্মিতও করতে পারে।
সাফল্যের কোনো গোপন রহস্য নেই। সাফল্য হলো অনুশীলন, কঠোর পরিশ্রম এবং ব্যর্থতা থেকে পাওয়া শিক্ষার যোগফল।
একজন নিরাশাবাদী মানুষ তার জীবনের
প্রতিটি সুযোগের মাঝে বাধা-বিপত্তি খুঁজে পায়,
কিন্তু একজন আশাবাদী তার জীবনের
প্রতিটি বাধার মাঝে ঠিকই সুযোগ খুঁজে নেয়।
জীবনে চলার পথে মাঝে মাঝে গর্তে পড়া জরুরি । তাতে করে কারা কাজের সময় হাত বাড়ায় আর কারা কেবল মুখেই বলতে থাকে ,কাজের সময় হাতটুকু বাড়ায় না তাদেরকে একদম আলাদা করা যায় । আমাদের চলার পথে এই দুই ধরনের লোকেরা একদম সমসত্ব দ্রবনের মতো আমাদের ঘিরে রাখে । তাদের আলাদা করার ঐ একটাই উপায় -গর্তে পড়ে যাওয়া ।
" একটা সময় ছিলো যখন মনে হচ্ছিলো, বুকের ভিতর থেকে প্রতিটা শিরা, উপশিরা আরো কি কি যেন সব থাকে, ওসব একে একে ছিড়ে ফেলা হচ্ছিলো '' - যারা প্রেমে পড়েছে্ন তাদের একবার হলেও নিশ্চয় এই একাকীত্বের এই অভিজ্ঞতা আছে। আর প্রেমে পড়েনি কে? চোখের কোনা দ
িয়ে একজনকে দেখার বিশেষ ইচ্ছা তো মনে হয় কোনো না কোনো এককালে সবারই হয়েছে। যখন চোখের কোণা দিয়ে সেই একজনের সাথে আরেকজনের ছায়া দেখা গেছে, তখন যে ফিলিংসটা হয়, সেটার কথাই বলছি।
কখনো কখনো যার জন্য কান্নায় বুক ভাসান,জীবনাটা দিয়ে দেবার কথাও ভাবেন, তখন সে ছাড়াও আশেপাশে যে মানুষ আছে, তা চোখে দেখেন না। নিজে নিজে কমপ্লেইন করেন, "কেউ আমাকে ভালোবাসে না"! কিন্তু কোথায়, আপনি কি সবাইকে ভালোবাসেন??? একজনকে ভালোবেসে তার কাছ থেকে কিছু না পেয়ে জীবন দেয়ার চেষ্টা করছেন??
আমারো এমন একটা সময় ছিলো, হাতের কাছে সব জীবণ নাশক জিনিষ রাখতে চাইতাম। তখন একজনের একটা কথা খুব কানে লাগছিলো, "তুমি হয়তো জানো
না, তোমার সামনে খুব বিশাল সুখের জিনিষ আসছে দেখেই এখন কষ্ট পাচ্ছো" তখন খুব কেয়ার না করলেও এখন মানি।
আমাদের জীবণটা এমনই, কষ্ট আসে, তারপর আসে সুখ, তারপর সেই সুখ কমার কষ্ট, তারপর আরো বিশাল সুখ, আবার সেই সুখ কমার কষ্ট আবার বিশাল সুখ। অতএব যতো বড় করে সুখ আসে, সেই সুখটা ভাঙার কষ্ট টাও বড় হয়। আমরা কষ্ট টাই দেখি । সুখটা না। ছোটবেলা পছন্দের খেলনা কিনে না দিলে কেঁদেকেটে বুক ভাসায় নি এমন মানুষ তো কমই। কিন্তু বড় হওয়ার পর, একটা খেলনার জন্য কাঁদাটাও তো অনেক হাস্যকর মনে হয়।
মানুষ ধৈর্য্যহীন হয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন। আজকে আমি যতজনের সাথে থাকবো, তাদের সুখী করবো বলে ভাবুন তো! হিসেব করে প্রতিদিন পাঁচজন মানুষকে হাসানোর চেষ্টা করুন। আপনাদের পাশের বাসার আন্টিকেই না হয় হেসে জানতে চান কেমন আছে, তার ছেলে মেয়ে কে কি করে? রিকশাওয়ালাটাকে নাহয় কিছু টাকা বেশি দিন একদিন। বাসের কন্টাক্টরকে নাহয় একটা পানির বোতল কিনে দিন। হোটেলে নিজের খাবারগুলো ট্র্যাশে ফেলানোর সময়, পাশের টেবিলের ট্র্যাশগুলো নাহয় তুলে নিন। আশেপাশের চোখে না পড়া মানুষগুলোর দিকে নজর দিন। দেখবেন, সেই ছোট্ট একটা জিনিষ তাদের দিনটাকে কতোটা সুন্দর করে । আর এতোগুলো মানুষের দিন যে সুন্দর করতে পারে, তার দিন কি খারাপ যায় কখনো?
সত্যিকথা, আপনি মরলে আপনার পরিবার কাঁদবে, আপনার বন্ধু-বান্ধব কাঁদবে, কল্পনায় দেখুন ঐ মনে হবে যে, হ্যা আমি একটা কিছু ছিলাম। কিন্তু সেই মনে হওয়ার জন্য আপনি কি থাকবেন?ব্যাস!এখন প্রতিটা দিন হাসিখুশী থাকুন। ভালোবাসুন সবাইকে, আপনি তাদের থেকে যতো দূরেই থাকুন না কেন। তারা আপনার কথা মনে করবে। আপনাকে ভালোবাসবে, যে আপনি নিজেকে ছাড়ার কথা ভাববেন না। মরে গিয়ে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেয়ে,নিজেকে ভালোবাসার মানুষ হিসেবে দৃষ্টি আকর্ষন করুন। যার ভালোবাসা পাওয়ার জন্য এতো ব্যকুলতা তার কাছেও যাওয়া লাগবে না। আপনার প্রতি এতো মানুষের ভালোবাসা দেখে তারও লোভ জাগবে আপনাকে ভালোবাসতে। "
**কিছুদিন আগে আমাদের দেশের উঠতি তরুন-তরুনীদের আত্বহত্যা প্রবনতা নিয়ে সাদিয়া জামানের একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিলো। সেই লেখাটি পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে একই বিষয়ে আজকের লেখাটি লিখে পাঠিয়েছেন তন্নী শায়লা।
জীবনে কখনো কখনো এমন মুহূর্ত আসবে যখন তোমার চারপাশে অন্যের সৃষ্ট নাটকটা থেকে তোমাকে সরে দাড়াতে হবে। যারা তোমাকে সুখী করে তাদের জায়গা করে দিতে হবে সেই শূন্যস্থানে। যারা তোমার সাথে ভালো ব্যবহার করে তাদের ভালোবাসো, যারা করে না তাদের জন্য প্রার্থনা করো। জীবনটা খুব ছোট। সুখী থাকো, কষ্টে নষ্ট করার মত সময় নেই।
পরে যাওয়া জীবনের একটা অংশের নাম আর আবার উঠে দাঁড়ানো হলো জীবন।
কিছু মানুষ ঠিক লক্ষ্যে পৌছার ঠিক আগমুহূর্তে আশা হারিয়ে ফেলে। কিন্তু যারা সাহসী তারা শেষটা দেখার জন্য দিগুন উদ্যমে ঝাপিয়ে পরে।
এগিয়ে যাওয়ার যুদ্ধে যদি কখনো পিছিয়ে যান তবে আরও জোরে দৌড়ান কিন্তু কখনো অসহায় আত্মসমর্পণ করবেন না। আশা হারাবেন না, আপনি নিজেও জানেন না- সৃষ্টিকর্তা আপনার জন্য কি ফলাফল রেখেছে।
যেখানে একতা আছে, সেখানে পরস্পরের মধ্যে সম্মান বোধ জন্মায়। যেখানে সম্মান থাকে, সেখানেই ভালবাসা ও শান্তি পাশাপাশি অবস্থান করে।।
জীবন হলো পেন্সিলে আঁকা এক ছবির নাম, যার কোনো অংশ রাবার দিয়ে মুছে ফেলা যায় না।
~জন ডব্লু গার্ডনার

No comments