৩১শে ডিসেম্বর/ থার্টিফার্স্ট উদযাপন সম্পর্কে


অনেকে হয়তো জানেইনা যে, ৩১শে ডিসেম্বর/ থার্টিফার্স্ট উদযাপন প্যাগান বা পৌত্তলিকদের ধর্মীয় উৎসব! পয়লা বৈশাখ যেমন হিন্দুধর্ম সহ আরও বেশ কয়েকটা ধর্মের লোকেদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান।
প্যাগানদের দেবতা Janus এর মূর্তির দুইটি মাথার একটি সামনের দিকে মুখ করা এবং অন্যটি পেছনের দিকে মুখ করা। দু'পাশে দু'টি মাথা দ্বারা নির্দেশ করে Janus সামনে ও পেছনে - সবদিকেই দেখতে পায়। প্রতীকী ভাবে এটি বুঝায় - Janus অতীত ও ভবিষ্যৎ দেখতে পায় ও ভ

বিষ্যৎ নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা রাখে। এই Janus এর নাম অনুসারে বছরের প্রথম (beginning) মাসের নাম দেয়া হয় January। তারা মনে করতো জানুয়ারি মাস হল, “Time of highest divinity”। ১লা জানুয়ারী কে "New Year's Day" হিসেবে পালন করার মূল উপাদ্য ছিল যাতে তাদের ঈশ্বর Janus খুশি হয়, যাতে তাদের বছরের যাত্রা শুভ হয়। স্বাভাবিক ভাবেই ৩১ ডিসেম্বরের আনন্দ উদযাপন সেই Janus এর প্রতি একটি ভালো যাত্রার আনন্দময় সমাপ্তির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অনুসঙ্গ হয়ে উঠত। তাকে খুশি করতে পরলে সে তাদের আগের বছরের পাপ ক্ষমা করবে আর পরের বছর তাদের সুখে সমৃদ্ধিতে কাটবে! সেই দেবতার আরাধনার উৎসব হলো ‘থার্টিফার্স্ট নাইট’।

এখন সারা দুনিয়া থার্টি ফার্স্ট পালন করতে শুরু করেছে। কিন্তু সারা দুনিয়া কোন কাজ করলেই একজন মুসলিম সে কাজ করতে পারবেনা। কারন ভিন্ন ধর্মের ‘ধর্মীয় রীতিনীতির’ অনুকরন-অনুসরন ইসলামে কঠিনভাবে নিষেধ! এমনকি রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন যে,” যে ব্যাক্তি অন্য ধর্মের লোকদের অনুসরন করে, সে তাদের একজন বলেই গন্য হবে!”

অনেকেই মন্তব্য/প্রশ্ন করেন, “তাহলে ফেসবুক, ইন্টারনেট, কম্পিউটার এসব তো অন্য ধর্মের লোকরা বানাইসে/আবিষ্কার করসে, সেগুলো ব্যবহার করেন কেন”? আল্লাহ তা’আলা তাদের বুঝ দিন! তারা ‘ধর্মীয় রীতি-নীতির’ অনুসরন বলতে কি বুঝায় এই স্বাভাবিক ব্যাপারটাই ধরতে পারেননা!
যে নামে বা যে ভাবেই থার্টি ফার্স্ট পালন করিনা কেন, তা ভিন্নধর্মাবলম্বীদেরই অনুসরন হবে! যেমন রেড পার্টি নাম দিয়ে ভ্যালেন্টাইনের দিনে বা মাসে পার্টি অথবা রং খেলা নাম দিয়ে হোলি উদযাপন এসবে আসলে মানুষ নিজেকেই নিজে ধোকা দেয়! এবং তারা আল্লাহ তা’আলাকে (না’উযুবিল্লাহ) বোকা মনে করে!

আজকে, আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে থার্টিফার্স্টে অংশগ্রহন থেকে নিজেদের বিরত রাখার তৌফিক আল্লাহ তা’আলা আমাদের দিন।
আমিন

No comments

Powered by Blogger.